আমরা, আধুনিক মানুষরা, প্রায়শই নিজেদেরকে প্রকৃতির ঊর্ধ্বে স্থাপন করি—এক উন্নত, বুদ্ধিমান সত্তা হিসেবে, যারা পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, মানব সভ্যতা এবং প্রকৃতির মধ্যে সম্পর্কটি শুরু থেকেই ছিল এক অবিচ্ছেদ্য মিথস্ক্রিয়া এবং দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের ফসল। এটি শুধুই একটি পটভূমি নয়; এটি আমাদের উত্থান-পতনের এক মহাকাব্যিক গাথা। প্রকৃতি কেবল আমাদের বাসস্থান নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, অর্থনীতি, আধ্যাত্মিকতা এবং আমাদের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি। প্রকৃতির বিশাল ক্যানভাসে মানুষ কীভাবে নিজেকে খুঁজে নিয়েছে, প্রতিষ্ঠা করেছে এবং পরিণামে সেই ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করেছে—সেই ইতিহাসের প্রতিটি বাঁক আজকের পরিবেশ সংকটের প্রেক্ষাপট বুঝতে অপরিহার্য। এই দীর্ঘ যাত্রায়, মানুষ প্রকৃতিকে প্রথমে ভয় করেছে, তারপর পূজা করেছে, সহযোগিতা করেছে এবং শেষমেশ তার উপর প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। আজকের এই ব্লগ পোস্টে, আমরা সেই ঐতিহাসিক সম্পর্কটির বিভিন্ন পর্যায়, মানুষের অভিযোজন, বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং পরিণতির দিকে গভীর দৃষ্টি দেব। বিস্তারিত পড়তে ছবিতে ক্লিক করুন…..
পৃথিবীতে মানুষের আগমন মাত্র কয়েক লক্ষ বছরের, কিন্তু বনভূমির ইতিহাস কোটি কোটি বছরের পুরোনো। আমরা আজ যে সবুজকে দেখি, যে ছায়াতলে দাঁড়িয়ে নিঃশ্বাস ফেলি, যে বৃক্ষরাজিকে ঘিরে জীবন গড়ে উঠেছে — তার শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে পৃথিবীর সৃষ্টির ইতিহাসে। সময়ের স্তরে স্তরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বনগুলো শুধু বৃক্ষের সমাহার নয়; তারা পৃথিবীর নীরব ইতিহাসবাহী, অরণ্যের ভাষায় লেখা প্রাচীন জীবনের দলিল। এই লেখায় আমরা পৃথিবীর প্রাচীনতম বনগুলোর গল্প বলবো — তাদের জন্ম, বিবর্তন, ট্র্যাজেডি, বেঁচে থাকা, এবং মানুষের ভবিষ্যতের সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্কের কাহিনি। বিস্তারিত পড়তে ছবিতে ক্লিক করুন…..